Health( স্বাস্থ্য)

শরীরে ঢুকে কি করে এই ভাইরাস?

বর্তমানে আমাদের এই বিশ্বে শক্তিশালী একটি ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে.যা করোনা ভাইরাস নামে পরিচিতি।এই ভাইরাস প্রায় বিশ্বের প্রতিটি দেশে ছড়িয়ে পড়ছে।ক্ষতিকারক এই ভাইরাস প্রতিনিয়ত মানুষকে গ্রাস করছে।যাদের মধ্য এই ভাইরাস সংক্রমণ ঘটেছে তাদের সুস্থ হয়ে ওঠা খুব কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে।এই বিশ্বে প্রায় ১৮লাখ মানুষ সংক্রমিত হয়েছে অনেকে আবার এই মরণ ব্যাধি রোগ থেকে সুস্থ হয়ে ও উঠছে।এখন মূল কথা হলো এই ভাইরাস শরীরের মধ্য ঢুকে কি করে?এবং কি কি ক্ষতি করে তা আমরা আজকের এই পোস্ট থেকে জানব,

করোনা ভাইরাস সোজা আমাদের শ্বাস নেয়া সিস্টেম কে আঘাত করে ফলে আমাদের রেসপার্টেড সিস্টেম কে ইফেক্ট করে।আর আমাদের শরীর, ফুসফুসকে ঠিক করার চেষ্টা করতে সাহায্য করে।ইফেক্ট হওয়ার কারণে রক্তের সাথে রক্তের অক্সিজেন পৌঁছাতে পারে না আর কার্বনডাইঅক্সাইড রক্ত থেকে বেরোতে পারে না যার কারণে রোগীকে অতিরিক্তমাত্রায় নিঃশ্বাস নিতে হয় এবং বার বার রোগী অতিদ্রুত মাত্রায় নিঃশ্বাস নিতে চেষ্টা করে। আক্রান্ত রোগী প্রায় হাঁফানির মতো ছটফট করতে থাকে যাতে ও অক্সিজেন আর কার্বনডাইঅক্সাইড লেভেল কে ঠিক রাখতে পারে।ওই মুহূর্তটা রোগাক্রান্ত রোগীর জন্য খুবই কষ্ট কর হয়ে থাকে। ডাক্তারের দেওয়া করোনা ভাইরাস মৃত ব্যক্তিদের পোস্টমর্টেমের পরে এই ভাইরাস থেকে জড়িত অনেক তথ্য বেরিয়ে এসেছে।এই ভাইরাস শ্বাসনালীতে গিয়ে মিউকসে লেয়ার বানিয়ে নেই যেটি পাথরের মতো সলিড হয়ে যায়। আর শ্বাসনালীকে বন্ধ করে দেয়।চিকিৎসার জন্য ডাক্তার এই নালীকে খোলার চেষ্টা করে আর ঔষদ দেয়।যদিও এতে অনেক দিন লেগে যায় আর পেসেন্ট আস্তে আস্তে ক্রিটিকাল কন্ডিশনে চলে যায়। ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিরা পুরোপুরি ভাবে খারাপ হতে থাকে।বলা যাচ্ছে যে গম্ভির ভাবে রোগ আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে করোনা রোগির নিশ্বাস নেওয়ার সাহায্যর জন্য ভেন্টিলেটরের প্রোয়োজন পড়ে।কিন্তু ভেন্টিলেটরের উচ্চতর সেটিং ও রোগির ফুসফুসে পর্যাপ্ত অক্সিজেন টানায় ব্যার্থ হয়ে পড়ে।এরপর ২য় আরেকটা মেশিনের দরকার হয় যেটি রক্তকে সার্কুলেট করে এবং রক্তে অক্সিজেন পৌছায় যার নাম হলো এক্সটাকরপোরিয়েল ব্লাড অক্সিজেন পেসেন্ট সিস্টেম।এই সিস্টেম আর্টিফিসিয়াল লান্সের কাজ করে। একবার ভেবে দেখেছেন কত ভয়ংকর একটি ভাইরাস এতো উচ্চতর প্রযুক্তির ব্যবহারের পরও ডাক্তাররা পুরোপুরিভাবে কনফিডেন্ট নয় যে রোগি বাঁচবে কি মরে যাবে।এই মূল্যবান মেডিকেল ফেসিলেটি পাওয়ার পর ডাক্তাররা রোগির ফুসফুসকে ৩৬০ভি,আর(ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ইমেজ) করে দেখে এই অনুমান করে যে রোগির আরো সংক্রমণ ছড়াবে।তাহলে চিন্তা করে দেখুন কত ভয়ংকর এই ভাইরাস যদি কোনো রোগি ভয়ংকার স্টেযে চলে যায় তাহলে এডভান্স সাপোর্ট সিস্টেম ও কাজ করা বন্ধ করে দেয়। বেশি বেশি সতর্ক হন লকডাউন মেনে চলুন হোম কুয়ারান্টাইনে থাকুন। উন্নত বিশ্বের দেশ গুলো আজ তাদের উন্নত প্রযুক্তি মাধ্যমে ও আক্রান্তদের বাঁচাতে পারছে না।আজ তাঁরা ব্যার্থ। হোম কুয়ারান্টাইন,লকডাউন না মানলে বাইরের উন্নত দেশগুলো চেয়ে বাংলাদেশ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়বে।সেইজন্য ঘরে থাকুন, নিরাপদ থাকুন আর বেশি বেশি আল্লাহকে ডাকুন তিনি আমাদের এই বিপদ থেকে মুক্তি দিতে পারে। আপনাদের একটু হলেও এই ভাইরাস সম্পর্কে ধারনা দিতে পেরেছি।

ধন্যবাদ

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *